ঢাকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ , ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে বড় আঘাত গণতান্ত্রিক স্থিতিশীল শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন মোদির দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করতে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড এমওইউ মোদীকে দশ বছর আগের কথা মনে করিয়ে ছবি উপহার ইউনূসের নতুন সমীকরণে বাংলাদেশ-ভারত বাস চালকের হদিস মেলেনি আহত শিশু আরাধ্যকে ঢাকায় হস্তান্তর নিহত বেড়ে ১১ স্বস্তির ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরলো ৬০ প্রাণ চালের চেয়েও ছোট পেসমেকার বানালেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা আ’লীগের নেতাদের রাজকীয় ঈদ উদযাপনে ক্ষুব্ধ কর্মীরা আন্দোলনে ফিরবেন বেসরকারি কলেজ শিক্ষকরা মাদারীপুরে আগুনে পুড়ল ২ বাড়ি ভৈরবের ত্রি-সেতুতে দর্শনার্থীদের ভিড় বর্ষবরণের আয়োজন, পাহাড়ে উৎসবের রঙ ঈদের আমেজ কাটেনি বিনোদন স্পটে ভিড় আ’লীগকে নিষিদ্ধ করা বিএনপির দায়িত্ব নয় নতুন নিয়মে বিপাকে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো ঈদের আগে বেতন-বোনাস পেয়ে স্বস্তিতে সাড়ে ৩ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ঈদযাত্রায় সদরঘাটে চিরচেনা ভিড় মিয়ানমারে ভূমিকম্পে শতাধিক মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা
* বিক্ষোভে যোগ দেন অভিভাবক, শিক্ষক নানা শ্রেণিপেশার মানুষ * রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্ট নিয়ন্ত্রণে নেন শিক্ষার্থীরা * ঢাকায় বিভিন্ন সড়কে শিক্ষার্থীদের অবরোধের কারণে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়

শহীদ মিনার থেকে সরকার পতনের এক দফা ঘোষণা

  • আপলোড সময় : ০৪-০৮-২০২৪ ১২:০৫:২৩ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৪-০৮-২০২৪ ১২:০৫:২৩ পূর্বাহ্ন
শহীদ মিনার থেকে সরকার পতনের এক দফা ঘোষণা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মন্ত্রিসভার সব সদস্যের পদত্যাগ দাবির এক দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনএকই সঙ্গে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তির নেতৃত্বে জাতীয় সরকার গঠনের দাবি জানানো হয়েছেএছাড়া তারা সরকার পতনের দাবিতে অসহযোগের ডাক দিয়েছেগতকাল শনিবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে এই এই ঘোষণা করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলামনাহিদ বলেন, আমাদের এক দফা হলো শেখ হাসিনার পদত্যাগ এবং এই সরকারের লুটপাট-দুর্নীতির বিচারআমরা জেলের তালা ভেঙে আমাদের ভাইদের আনবআমরা সবার সঙ্গে আলোচনা করে সম্বিলিত মোর্চা গঠন করবদেশের রূপরেখা ঘোষণা করবআগামীকাল (আজ রোববার) থেকে সর্বত্র অসহযোগ আন্দোলন হবেতিনি আরও বলেন, যদি ইন্টারনেট বন্ধ হয়, কারফিউ জারি হয় আমরা মেনে নেব নাসরকার যদি জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, এটা জনগণ মানবে নাআপনারা যদি অস্ত্র চালান তাহলে প্রতিরোধ হবেআমরা সব গণহত্যার বিচার করব বাংলার মাটিতেএর আগে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শহীদ মিনারে এসে যোগ দেনসায়েন্সল্যাব, ধানমন্ডি, প্রেস ক্লাব বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে শহীদ মিনারে আসেন শিক্ষার্থীরাকর্মসূচি শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আন্দোলনকারীরা শহীদ মিনার এলাকা থেকে বিভিন্ন দিকে চলে যানএ সময় এক দল তরুণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বাসার গেট ভাঙার চেষ্টা করেনঅন্যদিকে আন্দোলনকারীদের বিচ্ছিন্নভাবে টিএসটির সামনে রাজু ভাস্কর্যের সামনে ও শাহবাগে জড়ো হতে দেখা যায়সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে তাদের অনেককে শাহবাগ ছেড়ে চলে যেতে দেখা যায়
এর আগে দুপুর দেড়টা থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে দলে দলে যোগ দিতে থাকেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবকসহ সকল শ্রেণিপেশার মানুষএর আগে সকাল সাড়ে ১১টায় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শান্তি সমাবেশ শুরু করে শান্তিকামী চিকিৎসক ও নার্স সমাজতারা গতকাল শনিবার দুপুর ১টা পর্যন্ত অবস্থান করেন সেখানেবিকালে হাজার হাজার মানুষের ঢল নামেএতে জনসমুদ্রে পরিণত হয় এলাকাটিগতকাল শনিবার বিকালে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি থাকলেও আন্দোলনকারীরা তা উপেক্ষা করে শহীদ মিনার চত্বরে বিভিন্ন দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেনশহীদ মিনারের আশেপাশের সড়ক, ভবন ও দেওয়ালে বিভিন্ন দাবির কথা লিখতে থাকেন তারাবিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, রিকশাচালক, সিএনজি অটোরিকশাচালকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ যোগ দিয়েছেন আন্দোলনেতাদের সঙ্গে রয়েছেন বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মীরাওশহীদ মিনার প্রাঙ্গণ ছাড়িয়ে সমাবেশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ, জগন্নাথ হলসহ অন্যান্য রাস্তায় মানুষ অবস্থান নেয়সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সমাবেশে মানুষের উপস্থিতি বাড়তে থাকে থাকেবিকাল ৫টা পর্যন্ত স্লোগানে মুখর ছিল শহীদ মিনার এলাকাএ সময় বেসরকারি কলেজের এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা কিন্তু কোটা সংস্কারের মতো ছোট একটা আন্দোলন শুরু করেছিলামকিন্তু যখন দেখেছি আমাদের ভাইয়েরা নিহত হয়েছেন তখন কিন্তু আর সেটা কোটা সংস্কারের আন্দোলন রইলো নাএখন আমরা হত্যার বিচার চাইছি
এদিকে কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সৃষ্ট সহিংসতায় রাজধানীসহ সারাদেশ বিক্ষোভে উত্তালআন্দোলনে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি যোগ দিয়েছে অভিভাবক, শিক্ষক ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষআন্দোলন কর্মসূচির অংশ হিসেবে গতকাল শনিবার দুপুর থেকে শহীদ মিনার এলাকায় জড়ো হতে থাকে শিক্ষার্থীরাকর্মসূচিতে যোগ দিতে দলে দলে শিক্ষার্থীরা এসে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে অবস্থান নেয়এতে করে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পয়েন্ট নিয়ন্ত্রণে নেয় বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীরাবন্ধ করে দেয়া হয়েছে যানচলাচলএছাড়াও যাত্রাবাড়ী, রায়েরবাগ, সাইনবোর্ড এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে ৯ দফা দাবিতে আন্দোলন করা শিক্ষার্থীরাএর ফলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছেকোনো ধরনের যানবাহন ঢাকা থেকে বের হতে পারছে না এবং ঢাকায় ঢুকতেও পারছে নাঅপরদিকে ঢাকা ছাড়াও চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, ময়মনসিংহ, বগুড়া ও দিনাজপুরেও বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা
গতকাল শনিবার সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে শিক্ষার্থীদের অবরোধের ফলে যানচলাচল বন্ধ হয়ে গেছেএতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষথমথমে অবস্থা বিরাজ করছে রাজধানীজুড়েগতকাল সকাল থেকে যাত্রাবাড়ী, শান্তিনগর, সাইন্সল্যাব, রামপুরা, মেরুল বাড্ডা, নতুন বাজার, কুড়িল বিশ্বরোড, মিরপুর-১০ ও উত্তরায় অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরাএসময় ঢাকার বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছেগতকাল দুপুর সোয়া ১টার দিকে রাজধানীর প্রগতি সরণি এলাকার যমুনা ফিউচার পার্কের সামনে জড়ো হয় শিক্ষার্থীরাএকপর্যায়ে হুট করে তারা প্রধান সড়কে নেমে আসেনতাদের উপস্থিতিতে বন্ধ হয়ে যায় প্রগতি সরণির যানচলাচলবেলা ১১টার দিকে ইস্ট ওয়েস্ট ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেনপরে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে জড়ো হতে থাকেন আশপাশের বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের শিক্ষার্থীরাদুপুর দেড়টা পর্যন্ত অন্তত তিন হাজার শিক্ষার্থী জড়ো হয়েছেন এই বিক্ষোভ সমাবেশেদুপুর ১২টা থেকে সায়েন্সল্যাব মোড়ে জড়ো হতে থাকেন শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরাএ বিক্ষোভে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নামতে দেখা যায় জনতার ঢলসাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি এ আন্দোলনে সংহতি জানাচ্ছেন পথচারী, রিকশাচালক থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার জনগণএ আন্দোলন ঘিরে পুরো সায়েন্সল্যাব এলাকার সড়ক আন্দোলনকারীদের অবস্থানে বন্ধ হয়ে যায়এছাড়াও কোটা সংস্কার আন্দোলনে সৃষ্ট সহিংসতায় নিহত ও গণগ্রেফতারের প্রতিবাদ ও ৯ দফা দাবি আদায়ে মিরপুর ১০ গোল চত্বরে প্রায় চার ঘণ্টা বিক্ষোভ শেষে করে সড়ক ছেড়েছেন বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরাগতকাল শনিবার  দুপুর সাড়ে ১২টায় ১০ নম্বর গোল চত্বরে জড়ো হয়ে এই বিক্ষোভ শুরু করেন আন্দোলনকারীরাপরে বিকাল সাড়ে ৪টায় পরবর্তী কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়ে ধীরে ধীরে স্থান ত্যাগ করতে থাকেন তারাএ সময় মিরপুর ১০ দিয়ে চলাচল করা গাড়িগুলো মিরপুর ২ দিয়ে যাতায়াত করেবিক্ষোভ শেষে ৪টা ৫০ মিনিটে আবারও যাতায়াত স্বাভাবিক হয়এই বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে মিরপুর ১০-এর পশ্চিম পাশে পুলিশ সতর্ক অবস্থান নেয়পরে বিক্ষোভ শুরু হলে সোয়া ১টায় মিরপুর মডেল থানার ডিসি, এডিসি, ওসিসহ অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তা শিক্ষার্থীদের কাছে ডেকে কথা বলেনতারা আন্দোলনকারীদের শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান নিতে বলেনকোনও বহিরাগত এসে যেন কোনও ধরনের সহিংসতা করতে না পারে, সেই ব্যাপারে সতর্ক থাকতে বলেন শিক্ষার্থীদের
মহাসড়কের সাইনবোর্ড এলাকায় প্রথম ব্যারিকেড দেয় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরাএরপর কিছুদূর আসলে রায়েরবাগ অংশেও ব্যারিকেড দেখা যায়সেখানে সেøাগানে সেøাগানে মুখরিত করে রাখে শিক্ষার্থীরাযার জন্য ঢাকা থেকে কোনো গাড়ি বের হতে পারছে নাফলে অনেক গাড়ি আটকা পড়ে সাইনবোর্ড থেকেই ঘুরে যাচ্ছেপণ্যবাহী গাড়ির পাশাপাশি দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাসও রয়েছেঅনেকে কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য কোনো পরিবহন না পেয়ে হেঁটে যাচ্ছেনরায়েরবাগ এলাকায় কথা হয় সুমাইয়া হক নামের এমন এক যাত্রীর সঙ্গেতিনি চাঁদপুর, হাজীগঞ্জ থেকে সায়েদাবাদ যাবেনকিন্তু গাড়ি সাইনবোর্ড এলাকা থেকেই ঘুরে যায়সুমাইয়া হক বলেনআজ রোববার থেকে অসহযোগ আন্দোলন তাই আজই বাড়ি থেকে ঢাকায় চলে আসতে হয়েছেএখন দেখি আজকেও সড়ক অবরোধতবে আমিও শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সাথে একমততাই হেটে হেটেই বাসায় যাচ্ছিযাত্রাবাড়ী এলাকা ছাড়া এদিকে সড়কের কোথাও কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দেখা যায়নি
এ বিষয়ে হাইওয়ে পুলিশের সদস্য শামসুল আলম বলেন, শিক্ষার্থীদের অবস্থানের ফলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী ও চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী রাস্তায় অনেক গাড়ি আটকে পড়েছেএতে মহাসড়ক একেবারে স্থবির হয়ে পড়েছেকোনো যানবাহন চলাচল করতে পারছে নাতারা সড়কের বিভিন্ন জায়গায় অবরোধ করে রেখেছে
অপরদিকে, চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালি থানার নিউমার্কেট মোড় এলাকায় নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের ঢল নামেপূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী গত শনিবার দুপুর থেকে মোড়ে শিক্ষার্থীরা জড়ো হতে থাকেন তারাবিকেল সাড়ে ৩টার দিকে নিউমার্কেট মোড় কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়একইসঙ্গে নিউমার্কেট মোড় সংলগ্ন বিভিন্ন সড়ক দিয়ে একের পর এক মিছিলযোগে বিক্ষোভকারীদের প্রবেশ করতে দেখা যায়এসময় দেখা যায়, ছাত্রছাত্রীরা তাদের সহপাঠী হত্যার বিচারের দাবিতে সেøাগান দিচ্ছেনশিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগ দেন তাদের অভিভাবকরাওএসময় রিকশাওয়ালা থেকে শুরু করে নানা শ্রেণি-পেশার লোকজনকে আন্দোলনে আসা শিক্ষার্থীদের তালি দিয়ে সংহতি জানাতে দেখা যায়। 
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) এক কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, গতকাল শনিবার আন্দোলনে পুলিশ কোনও বাধা দেবে নাশিক্ষার্থীরা নিজেদের মতো কর্মসূচি পালন করতে পারবেতবে তারা যাতে কোনও সহিংস কর্মকাণ্ড না করে সেই অনুরোধ থাকবেপাশাপাশি নাশকতাকারীদের নজরদারিতে রাখা হচ্ছে
আন্দোলনে আসা সাইফ উদ্দিন নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, সরকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে লেলিয়ে দিয়ে নিরপরাধ সহপাঠীদের হত্যা করেছেগণমাধ্যমে এসেছে, তারা প্রাণঘাতী বুলেটেই মারা গেছেনএতো প্রাণহানির পর আমাদের দাবি মেনে নিলে কী হবে? আমরা আমাদের সহপাঠীদের ফেরত চাইগতকাল শনিবারের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণে কোনও বাধা পেয়েছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি বাকলিয়া থানা এলাকা থেকে এসে কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিশনিবার পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও বাধা দেয়া হয়নি
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স